সৌদি ওহাবী সরকার প্রতিষ্ঠা ও ওহাবী মতবাদ প্রতিষ্ঠিত হওয়ার ইতিহাস

By | March 1, 2023
সৌদি ওহাবী সরকার প্রতিষ্ঠা ও ওহাবী মতবাদ প্রতিষ্ঠিত হওয়ার ইতিহাস

এই পোষ্টে সৌদি ওহাবী সরকার প্রতিষ্ঠা ও ওহাবী মতবাদ প্রতিষ্ঠিত হওয়ার ইতিহাস নিয়ে আলোচনা করব। আশা করি ওহাবী মতবাদের ভাল ধারণা পাবেন।

★★অভিশপ্ত নজদ শহর সম্পর্কে আমরা সবাই অবগত । কিন্তু যার নামে এই শহর তার সম্পর্কে এবং তার কারণে আমাদের মতো সাধারণ মানুষ কেন ঈমানহারা হচ্ছে সে সম্পর্কে বিস্তারিত জানানোর এক ক্ষুদ্র প্রয়াস । ★★

আব্দুল ওহাব নজদী ও ওহাবী মতবাদ

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদ যার পূর্ব নাম নজদ । যে শহরের জন্য নবীজি কোন দোয়া করে যাননি। এই শহরে জন্মগ্রহণ করেছিলো আব্দুল ওহাব নজদী ।

১৭০৩ খ্রিষ্টাব্দে বনীতামিম গোত্রের বনী সিনান বংশে আব্দুল ওহাব নজদী জন্ম গ্রহণ করে । পিতৃগৃহে বাল্য শিক্ষা লাভ করার পর মদীনায় ও পরে বাগদাদে উচ্চ শিক্ষা লাভ করেন ।

একদা তার শিক্ষক হুজুরে করীম ( সাঃ) সম্পর্কে তাদের ভক্তি শ্রদ্ধা তুলে ধরলে নজদী রাগ করে বলে উঠলেন

মুহম্মদ (সাঃ ) ছিলেন একজন প্রিয় নবী মাত্র তাঁর দায়িত্ব ছিল কোরআন এনে দেওয়া তিনি তা এনে দিয়ে চলে গেছেন তাঁর দায়িত্ব শেষ এখন আর তাকে সম্মান দেখানোর প্রয়োজন কি ?

শিক্ষকদ্বয় তাকে নবীজি সম্পর্কে এ ধরনের কথা না বলতে আদেশ দেন এতে সে ক্রোধে উক্ত কক্ষ ছেড়ে বের হয়ে যায় ।

ইসলামের মূল ভিত্তি দুটি

1) আল্লাহ্‌র তৌহিদ

2) রাসূলে করীম (সাঃ ) এর রিসালাত ।

নজদী অনুসারীরা রিসালাত বাদ দিয়ে তৌহিদ কায়েমে বিশ্বাসী । আর এটাই খারেজী বা ওহাবীদের সাথে মুসলমানদের মৌলিক পার্থক্য।

নজদীর অনুসারীদের কেন ওহাবী খারেজী বলা হয়

১৭৪৯ সনে ৪৬ বছর বয়সে নজদী খারেজী দলের একজন বিজ্ঞ আলেম হিসেবে মুসলিম সমাজ কে বিভ্রান্ত করার জন্য নিজ স্বরূপ উন্মোচন করেছিলো । আর খারেজী দল সম্পর্কে যারা অবগত নন তাদের জন্য খারেজী দল সম্পর্কে নিম্নে সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দেওয়া হলো-

হিজরী 36 সনে হযরত আলী (আঃ ) ও আমীর মুয়াবিয়া এর দলের মধ্যে সিফফিনের যুদ্ধের পর হযরত আলী (আঃ ) এর দল থেকে একদল লোক আলাদা হয়ে হারুয়া নামক স্থানে সমবেত হয় । তারা নিজেদের কে পরহেজগার হিসেবে মনে করে হযরত আলী (আঃ) কে কাফের ফতোয়া দিলেন । অথচ হযরত আলী( আঃ) ছিলেন আশারায়ে মুবাশ্বেরারীর একজন । অর্থাৎ নবীজির দুনিয়ার বুকে ইসলাম প্রচার কালে যে দশজন সাহাবীকে বেহেশতী ঘোষণা করা হয় তিনি তাদেরই একজন । সেই সাথে তাকে কতোল করে তার ধনসম্পত্তি লুট করা জায়েজ বলে ফতোয়া দেয়া হয় । হযরত আলী (আঃ) এদের হাতেই শাহাদাত বরণ করেন ।

ইতিহাসে এরাই খারেজী দল হিসেবে পরিচিত। এদের মতবাদ হলো → আল্লাহ ছাড়া আর কাউকে মান্য করা যাবে না। রাসূলে করীম(সাঃ) কেউ মান্য করা যাবে না ।

আর এটাই হলো নাস্তিকতার প্রথম ধাপ। আল্লাহ ছাড়া আর কাউকে মান্য না করে শয়তান মরদুদ হয়েছিল । বর্তমান যুগে কিছু বিজ্ঞ ব্যক্তিবর্গ যারা নিজেদেরকে অতি জ্ঞানী মনে করেন তারাও নবীজি কে আপন বড় ভাই , মাটির মানুষ , নবীজি মরে গেছেন , নবীজি কে মানা যাবে না , নবীজির কাছে চাওয়া হারাম এ জাতীয় অপপ্রচার করে মানুষের ঈমান ও আমল কে নষ্ট করছে আর সহজ সরল মানুষ তাদের জ্ঞান ও শিক্ষাগত যোগ্যতা দেখে সহজেই তাদের কথা মন্ত্রমুগ্ধের মতো মেনে চলেছে । যাচাই বাছাই না করেই ।

যতোদিন এই ধরায় বিশ্ব নবীর গোলামের দল আর বিশ্ব ওলী খাজাবাবা ফরিদপুরী (কুঃছেঃআঃ) ছাহেবের রূহানী সন্তানেরা থাকবে ওহাবী, খারেজী , লামাজহাবি এক কথায় আল্লাহ্‌র প্রিয় হাবিব ও আল্লাহর ওলীগনের শত্রুদের দুনিয়ার বুকে ঠাঁই নাই ।

ওহাবী কেন বলা হয়

নজদীর পূর্বসূরি মুসাইলামাকাজ্জাব নজদ থেকেই হুজুরে আকরাম ( সাঃ) এর পরে নিজেকে নবী বলে দাবি করে মুসলমানদের কতৃক নিহত হয়। তাই নজদী ছিল এ ব্যাপারে সতর্ক । সে দ্বীন ইসলামের সংস্কারের নামে মানুষ কে বিভ্রান্ত করা শুরু করলো । নিম্নে তার কিছু ফতোয়া দেয়া হলো যা আজ পর্যন্ত বিভ্রান্ত করছে সহজ সরল মুসলমানদের কে →

★মুহাম্মদ ছিলেন সাধারণ মানুষ তিনি তার দায়িত্ব শেষ করে মরে পচে মাটির সাথে মিশে গেছেন ।

★তাঁর সম্মান ছিল তাঁর জীবদ্দশায় মৃত্যুর পর তাঁর প্রতি সম্মান দেখানো বা তাঁর প্রশংসার কোন প্রয়োজন নেই ।

★তাঁকে সম্মান করতে হলে বড় ভাইয়ের মতো সম্মান দিলেই যথেষ্ট ।

★যারা বুযুর্গগনের অনুসারী হচ্ছে তারা সবাই মুশরিক ।

(নাউজুবিল্লাহ)

প্রথমত হাদীসে কূদসীতে আল্লাহ তাঁর হাবিব কে নূর বলে আখ্যায়িত করেছেন এবং দ্বিতীয়ত নবী করীম ( সাঃ) রওজা মোবারকে জিন্দা এর একাধিক প্রমাণ হাদিসে বিদ্যমান।

হযরত মূসা আলাইহিওয়াসাল্লাম তার স্বীয় কবরে নামাজ আদায়ের দলিল রয়েছে । অথচ নামাজের জন্য জিন্দা শরীরই প্রয়োজন। আর যেখানে মূসা (আঃ ) জীবিত সেখানে নবীজী কি ভাবে মৃত হয় ?

নবীজী নিজে কবর জিয়ারত করতেন। আর নজদী নবীজির রওজা দেখিয়ে বললেন এটাই হলো ইসলামের সবচাইতে বড় মূর্তি ।সে আরো বললো আমার হাতে যে লাঠি দেখছো এটা ঐ মরা মুহাম্মদের চাইতে উত্তম এটা দিয়ে আমি সাপ মারতে পারি , কুকুর তাড়া করতে পারি আরো অনেক উপকার করতে পারে এই লাঠি কিন্তু ঐ মরা মুহাম্মদ তোমাদের কোন উপকার করতে পারবে না ( নাউজুবিল্লাহ )

নজদী এটাও বলতে থাকলো মিলাদ মাহফিল হারাম । তার ভাষ্যমতে মৃত ব্যক্তির শানে এটা করা হারাম ।

উপরোক্ত মতবাদ গুলোতে যারা আস্থা রাখে এক কথায় তারাই ওহাবী । কারণ নজদী সেই সময়ে তার এই মতবাদের মাধ্যমে যে আন্দোলন গড়ে তুলেছিল তা ওহাবী আন্দোলন নামে পরিচিত এবং তার অনুসারীদের কে ওহাবী বলা হত।

ওহাবী মতবাদ প্রতিষ্ঠিত হওয়ার ইতিহাস

ইসলামের অন্যতম কালো অধ্যায় বলা চলে যা আজ অবধি মুসলমানদের ঈমান আমল নষ্ট করে চলেছে। সৌদি ওহাবী সরকার প্রতিষ্ঠা ও ওহাবী মতবাদ প্রতিষ্ঠিত হওয়ার ইতিহাস থেকেই ইসলামের কলঙ্কিত অধ্যায় শুরু হয়।

আমরা পূর্বেই জেনেছি নজদীর দ্বীন ইসলামের সংস্কারের নামে বিভ্রান্ত মূলক মন্তব্য । যা এক পর্যায়ে মুসলিম সমাজ কতৃক প্রবল বাধার সম্মুখীন হয় । চতুর নজদী তার কৌশল পরিবর্তন করে । নজদের দরিয়া অঞ্চলের তানাইজা গোত্রে উচ্চবিলাসী সরদার প্রথম ইবনে সৌদের নিকট তার এই মতবাদের দাওয়াত দিলে সে এটাকে স্বাগতম জানানোর সাথে সাথে নজদীর শিষ্যত্ব গ্রহন করলো । এছাড়াও নজদী কন্যা কে বিবাহের মাধ্যমে নজদী কে শশুড় হিসাবে গ্রহণ করলেন। যা ওহাবী মতবাদ প্রচার ও প্রসারে ব্যাপক সহায়তা করে ।

নজদী ও ইবনে সৌদ উভয়ের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় দুর্ধর্ষ আরব বেদুঈন দ্বারা এক বিরাট সৈন্য বাহিনী গঠন করা হয় । এই বাহিনীর দ্বারা মুসলিম সমাজের উপর ওহাবী মতবাদ চাপিয়ে দেওয়ার জন্য ন্যাকারজনক ভূমিকা পালন করে।

ওহাবী আকিদা অস্বীকার করা হলে তাদের কে হত্যা করা হতো । এবং জোরপূর্বক ওহাবী মতবাদে দীক্ষিত করতো নিম্মরুপে

★ বল আমি ইতিপূর্বে কাফের ছিলাম , আমার বাবা মা পূর্ব পুরুষ সবাই কাফের ছিল , এখন আমি মুসলমান হলাম ।

১৭৬৫ সালে প্রথম ইবনে সৌদের মৃত্যুর পর তার পুত্র আব্দুল আজিজ ওহাবী রাজ্যসীমা নজদ হতে কুয়েত পর্যন্ত বর্ধিত করে ।সে তার পিতার মতোই তার নানা অর্থাৎ নজদীর নিকট দীক্ষা নিয়ে ওহাবী মতবাদ প্রচার করতে থাকে ।

সমগ্র নজদ ও কুয়েতে ওহাবী মতবাদ প্রতিষ্ঠার পর ওহাবীরা মক্কা মোয়াজ্জেমার দিকে নজর দেয় । ১৭৯১ সনে তারা মক্কা নগরী আক্রমণ করে । কিন্তু মুসলমানদের প্রবল বাধার মুখে নগরীর অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে ব্যর্থ হয় । এতে করে ওহাবীরা কৌশল পরিবর্তন করে।

ওহাবীরা কিভাবে মক্কা ও মদিনা দখল করেছিল

ইতিপূর্বে আমরা জেনেছি নজদী কন্যার পুত্র তার নানার অনুসারী হয়ে মক্কা দখলের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। পরবর্তীতে সে তার কৌশল পরিবর্তন করে । তারা মুবাল্লেগ ও ধর্ম প্রচারকের বেশে কিছু সংখ্যক অভিজ্ঞ ওহাবী কে মক্কা নগরীর বিভিন্ন মসজিদে পাঠিয়ে দেয় । তারা নামাজ শেষে মুসল্লিগনের মধ্যে ঈমান ও আমলের কথা বলতে থাকে ।

নিজেদের দুরভিসন্ধির কথা গোপন রেখে ১৮০১ সন অর্থাৎ ৯ বছর পর্যন্ত তালিম দিয়ে উল্লেখ যোগ্য সংখ্যক সরল ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের কে দলভূক্ত করতে সক্ষম হয় ।

★এখানে একটি কথা না বলে পারছি না এই একই কাজ বর্তমানে ইসলাম প্রচারের নামে মসজিদে ঘুমানোর এবং আবাসিক হোটেল বানানোর মাধ্যমে একটি দল নির্বিঘ্নে করে যাচ্ছে ।

এরপর তারা ১৮০২ সনে পুনরায় মক্কা নগরী আক্রমণ করে । ভেতর থেকে সহযোগিতা পাওয়ার কারণে এবার তারা সফলতা লাভ করে। ১৮০৩ সালে তারা মক্কা নগরী দখল করে নেয় । দখলের পর ★যখন তারা সুফী , ওলী ও আহলে বায়াতগনকে পীর পূজক ও কবর পূজকের অজুহাতে কতল করতে থাকে তখন এ সমস্ত মুবাল্লেগগন সম্পর্কে এবং তাদের দুরভিসন্ধি সম্পর্কে সরলপ্রাণ মুসলমানগন অবহিত হলো । যদিও আর কিছুই করার ছিল না । কারণ ওহাবীগন ততদিনে ১৮০৪ সালে মদীনা মনোয়ারা দখল করে ফেলে ।

সেখানেও একই অজুহাতে আহলে বায়াতদেরকে কতল করতে থাকলো । তারা সমস্ত সাহাবীগনের মাজার মাটির সাথে মিশিয়ে দিল। এমনকি নবী করীম (সাঃ ) এর রওজা মোবারককে ইসলামের সবচাইতে বড় মূর্তি বলে তার গাথুনি ভেঙে ফেলে। তবে মিশর ও তুরস্কসহ বিশ্বের মুসলমানদের প্রতিবাদের মুখে পুনরায় রওজা মোবারকের গাথুনি ঠিক করে দিতে বাধ্য হয়।

ওহাবীদের এই নির্মম অত্যাচারের হাত থেকে বাঁচতে মুসলমানগন ইয়েমেন , সিরিয়া , ও ইরাকে পালিয়ে যায় । কেউ কেউ নিকটবর্তী পাহাড় পর্বতের জঙ্গলে পালিয়ে জীবন রক্ষা করে। যাদেরকে অদ্যাবধি ঐ সমস্ত স্থানে তাদের বংশের মুসলমানদের কে খেজুর পাতার ঘরে বসবাস করতে দেখা যায়।

সৌদি ওহাবী সরকার প্রতিষ্ঠা ও ওহাবী মতবাদ প্রতিষ্ঠিত হওয়ার ইতিহাস

১৮১২ সনে মুসলমানগন পুনরায় মক্কা ও মদীনা দখল করে কিন্তু পরবর্তীতে ১৯২৪ সনে তা আবারও নজদী অনুসারীদের নিয়ন্ত্রণে চলে যায় । উনবিংশ শতাব্দীর শেষ দিকে সৌদী রাজবংশের বাদশাহ ফয়সালের পুত্র নজদের (রিয়াদ) আমীর যুবরাজ আব্দুল রহমান রাজ পরিবারের কোন্দলের দরুন কুয়েতে নির্বাসিত হন। সেখানে নির্বাসিত অবস্থায় কালাতিপাত করার সময় তিনি সৌদী রাজ্য পুনঃ প্রতিষ্ঠা ও ওহাবী মতবাদকে বিশ্বজনীন করার আশা পোষণ করে আসছিলেন । কিন্তু তিনি নিজে তার সে আশা বাস্তবায়নে সক্ষম না হলেও তার পুত্র দ্বিতীয় আব্দুল আজিজ ইবনে সৌদ বৃটিশদের সহায়তায় নজদ ও হেজাজ সহ সমগ্র সৌদি আরবের শাসনভার গ্রহণ করে ওহাব নজদীর মতবাদ পুনঃ প্রতিষ্ঠা করে পিতার সেই আশা বাস্তবায়নের প্রয়াস চালালো।

পরবর্তীতে মধ্যপ্রাচ্যে পেট্রোডলারের আশীর্বাদে ওহাব নজদীর আকিদার পৃষ্ঠপোষকদের অর্থনৈতিক অবস্থার পরিবর্তনের ফলে কুয়েতে নির্বাসিত যুবরাজ আব্দুল / আব্দুর রহমানের স্বপ্ন ওহাব নজদীর মতবাদ প্রতিষ্ঠা বিশ্বজনীন করার প্রয়াস বহুগুণে বেড়ে যায় । যা বর্তমানে সমগ্র মুসলিম জাহানে কম বেশি পরিলক্ষিত হয় । এ উদ্দেশ্যে অন্যান্য পদ্ধতির চেয়ে মক্কা বিজয়ের প্রাক্কালে অনুসৃত পদ্ধতিই বেশি ফলপ্রসূ বলে প্রতীয়মান হয় । এভাবে তারা সাধারণ মুসলমানদের কে বিভ্রান্ত করে আসছে ।

পরিশেষে হযরত ঈমাম মেহেদী (আ: ) এর আবির্ভাবের ফলে তথা আরব বিশ্বের তথাকথিত নামধারী মুসলমানগন এবং আরবীয় শাষকগোষ্ঠী সবচাইতে বেশী ক্ষতিগ্রস্থ হবে । বিশ্বের আধুনিক সভ্যতার প্রভাবে সুপ্রতিষ্ঠিত মহানগরসমূহ গুলো ধ্বংস হয়ে যাবে।

হযরত ঈমাম মেহেদী ( আঃ) এর আগমনের সাথে সাথেই ওহাব নজদী মতবাদের পরিসমাপ্তি ঘটবে ।

এই ছিল ওহাবী মতবাদ প্রতিষ্ঠিত হওয়ার ইতিহাস। আল্লাহ আমাদেরকে এই ওহাবী মিথ্যা মতবাদ থেকে রক্ষা করুন এবং সত্য ইসলামকে জয়যুক্ত করুন। আমিন।

আরো পড়ুন-

তথ্য সূত্রেঃ অনলাইন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *