বিকাশ একাউন্ট বন্ধ হলে করণীয়

বিকাশ একাউন্ট বন্ধ হলে করণীয়

বর্তমানে আমরা আধুনিক যুগে এসে অনলাইনের মাধ্যমে কিছু করতে গেলে আমাদের বিকাশের প্রয়োজন হয়। তাই বিকাশের প্রয়োজন আমাদের কাছে অপরিসীম। এই আধুনিক যুগে এসে যারা মোবাইল ব্যবহার করেন আর তাদের বিকাশ একাউন্ট নেই এমন লোক বর্তমানে খুবই কম। মোবাইল যাদের আছে তাদের প্রায় সকলেরই বিকাশ নাম্বার আছে। কারণ বিকাশ একাউন্ট ছাড়া আমরা অনলাইনের মাধ্যমে কোন কিছুই লেনদেন করতে পারি না।

যেহেতু বিকাশ হল একটি মোবাইল ব্যাংকিং সার্ভিস কাজেই তাদের সিস্টেম টা অনেক হার্ড। তবে এই বিকাশ একাউন্টটি কিছু কিছু সময়ে বন্ধ হয়ে যায়। বন্ধ হয়ে গেলে আমাদের তখন অনেক চিন্তায় পড়তে হয়। বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে আমরা প্রয়োজন মত অনেক কাজ করতে পারি না বিকাশের মাধ্যমে।

এতে করে অনেকেই আমরা ভোগান্তির শিকার হয় এবং এখানে সেখানে খুজে খুজি করি যে কিভাবে আমরা সেই বন্ধ হওয়া বিকাশ একাউন্টটি আবার আগের মতো চালু করতে পারব। আপনারা আমাদের কাছে জানতে চেয়েছেন বিকাশ একাউন্ট বন্ধ হলে কি করবেন সেই সম্পর্কে। তো চলুন আমরা এখন জেনে নেই বিকাশ একাউন্ট বন্ধ হয়ে গেলে আমাদের করণীয় কি সেই সম্পর্কে সকল তথ্যগুলো।

বিকাশ একাউন্ট বন্ধ হওয়ার কারণ

বিকাশ একাউন্ট বন্ধ হওয়ার মাঝে অনেক কিছু কারণ থাকে।তবে কিছু কিছু সময় অনেক সমস্যা ঘরে বসেই কিছু তথ্য ভেরিফাই করে ঠিক করা যায় আবার কিছু কিছু সমস্যা রয়েছে যার সমাধান পেতে হলে তাদের নিকটস্থ সার্ভিস সেন্টারে যেতে হয়। চলুন আমরা জেনে নেই বিকাশ একাউন্ট বন্ধ হওয়ার কিছু কারণ

৩০ মিনিটের ভিতরে আপনি যদি তিনবার ভুল পিন দিয়ে চেষ্টা করেন বিকাশ একাউন্ট খোলার জন্য তাহলেও আপনার অ্যাকাউন্টটি ব্লক হয়ে যেতে পারে অর্থাৎ বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

বিকাশে ভুল নাম্বারে টাকা গেলে ফিরিয়ে আনার উপায়

বিকাশ একাউন্টে তথ্য যদি আপনার সঠিক না থাকে তাহলেও খুব সহজেই আপনার বিকাশ একাউন্টটি বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

অনেকদিন যাবত বিকাশ একাউন্টে আপনি যদি লেনদেন করে না থাকেন তাহলেও আপনার বিকাশ একাউন্টটি বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

আপনি যদি সিম রিপ্লেস করেন তাহলেও আপনার বিকাশ একাউন্টটি বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

বিকাশ একাউন্ট বন্ধ হলে করণীয়

আমাদের জীবনে যেমন সমস্যা রয়েছে ঠিক তেমনি সমস্যার সমাধান রয়েছে। আর ঠিক সেই রকমই বিকাশ একাউন্ট বন্ধ হয়ে গেলেও কিছু করণীয় রয়েছে যাতে করে আমরা বিকাশ একাউন্টে আবার আগের মত ফিরে পাই। অনাকাঙ্ক্ষিত ভাবে যদি আপনার একাউন্টটি লক হয়ে যায় তাহলে বিকাশ হেল্পলাইনে কল করেই আমরা সমাধান করতে পারব।

বিকাশ হেল্পলাইনে কল করার আগে আমাদের কিছু তথ্য কালেক্ট করতে হবে সর্বপ্রথম বিকাশ একাউন্টটি যে এনআইডি কার্ডে নিবন্ধন করা রয়েছে সেই nid কার্ড সামনে রাখতে হবে এবং লাস্ট লেনদেন কত টাকা করা হয়েছে তা জানতে হবে। এসব তথ্যগুলো জেনে রাখলে কাস্টমার কেয়ারের কর্মকর্তার সাথে সাথে তথ্য ভেরিফাই করতে কোন সমস্যায় পড়তে হবে না। কাস্টমার ম্যানেজার সকল তথ্য ভেরিফাই করা হয়ে গেলে আপনার তিনটি ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড দিয়ে রিসেট করে দেয়া হবে এবং আপনি সাথে সাথে ওয়ান টাইম পাস ওয়ার্ড ব্যবহার করেন একটিভ করতে পারবেন। বিকাশ হেল্পলাইন নাম্বারটি হল: (১৬২৪৭)

বিকাশ একাউন্ট খোলার নিয়ম

উপরোক্ত হেল্পলাইন নাম্বারটিতে আপনারা কল দিয়ে তাদেরকে আপনার সমস্যার কথা বললে তারা কিছু তথ্য চাইবে আপনার কাছে তখন আপনাকে সেই তথ্যগুলো সঠিকভাবে দিতে হবে। সঠিক তথ্য দেওয়ার পর তারা আপনার বিকাশ একাউন্টটি ঠিক করে দিবে। আর সিম রিপ্লেস করার কারণে যদি আপনার বিকাশ একাউন্টটি লক হয় তাহলে সিম রিপ্লেস করার কারণে বিকাশ একাউন্টস ২৪ ঘন্টার জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়। এতে করে ভয় পাওয়ার কিছুই নেই সিম রিপ্লেস এর ২৪ ঘন্টার পর অটোমেটিক আনলক হয়ে যাবে।