রকেট মার্চেন্ট একাউন্ট খোলার নিয়ম ২০২২

ব্যবসা বা যারা প্রতিনিয়ত বড় বড় টাকা লেনদেন করে থাকেন তাদের জন্য জনপ্রিয় মোবাইল ব্যাংকিং সেবা রকেট একাউন্ট এর সুবিধা নিয়ে চলে আসলো। আপনারা যারা রকেটের অ্যাপ্লিকেশন অল ওয়েবসাইট অথবা নতুন বিজ্ঞাপন দেখেছেন তারা ইতিমধ্যে জানতে পেরেছেন যে রকেট মার্চেন্ট একাউন্ট নামে নতুন ফিচার সমৃদ্ধ বেশকিছু অফার নিয়ে আপনাদের সাথে উপস্থিত হয়েছে।

রকেট মার্চেন্ট একাউন্ট সম্পর্কে জানার জন্য অনেক ব্যক্তি মুখিয়ে রয়েছেন কেননা আপনারা ব্যবসায়িক স্বার্থ এই একাউন্ট চালু করতে পারেন। আপনাদের সাহায্য করার উদ্দেশ্যে আমরা ইতিমধ্যে বিকাশ ওনাদের মার্চেন্ট একাউন্ট খোলার নিয়ম ও সুবিধা অসুবিধা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছি।

এর ধারাবাহিকতায় আমরা আজকে রকেট মার্চেন্ট একাউন্ট খোলার নিয়ম এই একাউন্টের সুবিধা অসুবিধা কত টাকা পর্যন্ত লিমিট রয়েছে এবং ক্যাশ আউট চার্জ কত তার সম্পর্কে বিস্তারিত সকল তথ্য উপস্থাপন করেছে। সুতরাং আপনি আমাদের পুরো আর্টিকেলটি পড়বেন এবং আপনার যে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো জানা দরকার সেগুলো জানতে পারবেন।

মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট কি?

ডাচ বাংলা ব্যাংকের ডিজিটাল মোবাইল ব্যাংকিং সেবা হচ্ছে রকেট যার কারণে দেশের অনেক মানুষ বিশ্বস্ততার জন্য এই মোবাইল ব্যাংকিং সেবা ব্যবহার করে চলেছেন। অনেকে রকেটের পার্সোনাল একাউন্ট ইতিমধ্যে চালু করেছেন কিন্তু অনেকেই জানতে চেয়েছেন যে মার্চেন্ট একাউন্ট কি তার সম্পর্কে।

রকেট মার্চেন্ট একাউন্ট হলো নতুন একটি মাধ্যম যা শুধুমাত্র ব্যবসায়ীক কাজে বড় অঙ্কের টাকা লেনদেনের ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। সাধারণত আমরা পার্সোনাল একাউন্টের মাধ্যমে এক নম্বর থেকে অন্য নাম্বারে স্বল্প পরিমাণ টাকা লেনদেন করতে পারে। কিন্তু ব্যবসায়ীদের প্রতিদিন কচুর টাকা লেনদেন করতে চান কিন্তু সীমাবদ্ধতার কারণে তারা তা করতে পারেন না।

নগদ মার্চেন্ট একাউন্ট খোলার নিয়ম

তাই ব্যবসায়ীদের সাহায্য করার উদ্দেশ্যে কর্তৃপক্ষ মার্চেন্ট একাউন্ট চালু করেছে যা আপনার ব্যবসাকে অনেক বেশি প্রসারিত করতে সক্ষম। তাই ব্যবসায়ীদের সাথে লেনদেনের প্রধান মাধ্যম হয়ে উঠেছে মোবাইল ব্যাংকিং। মোবাইল ব্যাংকিংয়ে পেমেন্টের ক্ষেত্রে, গ্রাহকদের প্রধান পছন্দ রকেট মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট।

রকেট মার্চেন্ট একাউন্ট খোলার নিয়ম

ব্যাবসায়িক কাজের জন্য আপনি যদি রকেট মার্চেন্ট একাউন্ট খুলতে আগ্রহী হয়ে থাকেন তাহলে আপনাকে বেশ কিছু তথ্য ও কাগজপত্র সংগ্রহ করতে হবে যেগুলো আপনাকে রকেট কর্তৃপক্ষের কাছে আপলোড করতে হবে। নিচের অংশে আমরা আপনাদের জন্য রকেট মার্চেন্ট একাউন্ট খোলার জন্য যে সকল কাগজপত্র লাগে তা উল্লেখ করলাম।

  • জাতীয় পরিচয়পত্রে/জন্ম নিবন্ধন/ড্রাইভিং লাইসেন্স।
  • দুই কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি।
  • সচল মোবাইল নম্বর।
  • TIN সার্টিফিকেট।
  • ব্যবসার ট্রেড লাইসেন্স।
  • একটি ব্যাংক একাউন্ট।
  • ই-মেইল এড্রেস।

উপরে দেওয়া তথ্য ও কাগজপত্র গুলো সংগ্রহ করার পর আপনাকে আমাদের নিচের নির্দেশনা অনুসরন করতে হবে তাহলে আপনি সহজেই মার্চেন্ট একাউন্ট চালু করতে পারবেন।

বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট খোলার নিয়ম

  • একাউন খোলার জন্য প্রথমে আপনাকে 16216 কল করে রকেট এজেন্ট অথবা কাস্টমার সার্ভিস সেন্টারে যোগাযোগ করতে হবে।
  • আপনার নিকটস্থ রকেট এজেন্ট অথবা কাস্টমার সার্ভিস সেন্টারে যোগাযোগ করুন।
  • তারা আপনাকে একটি আবেদন ফরম দিবে তা সংগ্রহ করে যথাযথ তথ্য উপস্থাপন করুন।
  • যে সকল তথ্য আপনার থেকে জানতে চাওয়া হবে তা সাবমিট করুন।
  • পরিশেষে আপনার মার্চেন্ট একাউন্ট চালু করা সম্পন্ন হয়েছে।

রকেট মার্চেন্ট একাউন্ট এর সুবিধা

  • কোন ধরনের লিমিট ছাড়ায় গ্রাহকরা যত খুশি তত টাকা পেমেন্ট করতে পারবেন। রকেট ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট এর ক্ষেত্রে একটি নির্দিষ্ট সীমাবদ্ধতা রয়েছে যার কারণে অনেক ব্যবসায়ী মোটা অংকের টাকা পেমেন্ট করতে পারেন না।
  • রকেট মার্চেন্ট একাউন্টে পেমেন্ট করলে আপনি অতিরিক্ত কোন টাকা চার্জ গ্রহণ করা হবে না।
  • বিভিন্ন ধরনের ডিসকাউন্ট অফার রকেট মার্চেন্ট একাউন্টে পাওয়া যায়।
  • রকেট মার্চেন্টে টাকা অনেক নিরাপদে লেনদেন করা যায়, বিধায় আজকাল সকলের পছন্দের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে রকেট মার্চেন্ট একাউন্ট।

সময়ের সাথে সাথে রকেট মার্চেন্ট একাউন্ট অনেক বেশি জনপ্রিয়তা লাভ করেছে শুধুমাত্র এই একাউন্টে সুবিধার জন্য। সুতরাং আপনি যদি প্রতিদিন বড় অঙ্কের টাকা লেনদেন করতে চান তাহলে অবশ্যই নিকটস্থ রকেট এজেন্টের যোগাযোগ করে রকেট মার্চেন্ট একাউন্ট চালু করতে পারেন।