মোবাইল অ্যাপে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত ডিজিটাল লোন

বাংলাদেশ ব্যাংক সম্প্রতি চালু করতে চলেছে ক্ষুদ্র ঋণ ব্যবস্থা। করণা পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের মানুষের আর্থিক অবস্থা ফিরিয়ে আনার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক বিশেষ এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন এই ক্ষুদ্র ঋণের একজন ব্যক্তি 500 টাকা থেকে 50 হাজার টাকা পর্যন্ত ক্ষুদ্র ঋণ পেতে পারেন।

ডিজিটাল ক্ষুদ্র ঋণ দেওয়া হবে ডিজিটাল পদ্ধতিতে ইন্টারনেট ব্যাংকিং, মোবাইল ব্যাংকিং বা মোবাইল আর্থিক সেবার মাধ্যমে। অর্থাৎ আপনাদের অবগতির জন্যে বলতে চাই যে বাংলাদেশে যে সকল মোবাইল ব্যাংকিং সেবা রয়েছে যেমন বিকাশ, নগদ, রকেট ইত্যাদি প্রত্যেকের কাছে লোন প্রদান করা হবে।

ইন্টারনেট ব্যাংকিং সেবার মোবাইল অ্যাপের এবং ই ওয়ালেট এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা এখন ঋণ পাওয়ার যোগ্যতা রাখবে। দেশের তফসিলভুক্ত ব্যাংক ঋণ বিতরণ করবে বলে জানা গিয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের 100 কোটি টাকার তহবিল থেকে প্রথম পর্যায়ে 50 কোটি টাকা সরবরাহ করে দেশের প্রতিটি অঞ্চলে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে এই ক্ষুদ্রঋণ প্রদান কার্যক্রম অতি শীঘ্রই শুরু হবে।

134255

বিভিন্ন উপায় দেশের প্রতিটি অঞ্চলে আকারে প্রদান করবে। ব্যাংকে স্কিমের আওতায় বিতরণকৃত ঋণের সদ্ব্যবহার নিশ্চিত করবে। প্রথম পর্যায়ে দেশের তফসিলভুক্ত যদি 50 কোটি টাকা ঋণ এর সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারে তাহলে বাংলাদেশ ব্যাংক দ্বিতীয় পর্যায়ে আরো 50 কোটি টাকার অর্থায়নের সুযোগ দেবে।

এর মেয়াদ 3 বছর আবর্তন যোগ্য চাহিদা বিবেচনায় ভবিষ্যতে এই অর্থের পরিমাণ বৃদ্ধি পেতে পারে। এখন আপনাদের মধ্যে অনেকেরই প্রশ্ন রয়েছে যে এই ক্ষুদ্র ঋণ কিভাবে গ্রহণ করতে হবে তার সম্পর্কে জানতে চান। যে সকল গ্রাহকের ডিজিটাল ক্ষুদ্র ঋণ নিতে আগ্রহী তারা বিতরনকারী ব্যাংক এবং সংশ্লিষ্ট প্রথমে একাউন্ট খুলতে হবে। বিতরনকারী ব্যাঙগুলো বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছ থেকে এক পার্সেন্ট সুদের তহবিল নিতে পারবে সেই তহবিল সর্বোচ্চ 95 শতাংশ সুদে গ্রাহক পর্যায়ে ডিজিটাল বিতরণ করতে হবে।

উল্লেখ্য যে তফসিলভুক্ত ব্যাংক নিজেই আবার ঋণ দেওয়া টাকা আদায় করতে হবে এগুলো থেকে মোবাইলে আর্থিক সেবার মাধ্যমে ঋণ প্রদান করা যাবে। অর্থাৎ কোন ব্যাংক চাইলে বিকাশের মাধ্যমে ঋণ বিতরণ করতে পারবে আবার ইন্টারনেট ব্যাংকিং সেবা দ্বারা মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে ঋণ বিতরণ করার সুযোগ রয়েছে।

money-mobile-780x470

বাংলাদেশ ব্যাংকের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে এ ঋণের প্রসেসিং থেকে শুরু করে ঋণ আদায় পর্যন্ত সকল কাজ ডিজিটাল পদ্ধতিতে করা হবে। উক্ত নোটিশের অনুসারে আমরা জানতে পারি যে ডিজিটাল ক্ষুদ্রঋণের সংজ্ঞায় বলা হয়েছে ডিজিটাল মাধ্যম ইন্টারনেট ব্যাংকিং মোবাইল অ্যাপ মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস ইত্যাদি ব্যবহার করে তফসিলভুক্ত ব্যাংক হতে ক্ষুদ্রঋণ প্রদান করাকেই ডিজিটাল ক্ষুদ্রঋণ বলা হয়।

ইসলামী ব্যাংকগুলোর নীতিমালা মেনে ব্যবস্থা থেকে অর্থায়ন সুবিধা গ্রহণ করতে পারবে। তবে আপনি জানেন কি বর্তমানে সিটি ব্যাংক বিকাশের মাধ্যমে গ্রাহক পর্যায়ে সর্বোচ্চ 20,000 টাকা লোন প্রদান করছে যেখানে আপনি বিকাশ লোন গ্রহণ করলে তিন মাস মেয়াদ পাচ্ছেন। অন্যদিকে ডাক বিভাগের মোবাইল ভিত্তিক আর্থিক সেবা চালু করতে আগ্রহী তারা অতি শীঘ্রই এই সেবাটি গ্রাহকদের জন্য চালু করবে বলে মনে করা হচ্ছে।

নতুন ডিজিটাল ক্ষুদ্রঋণ নিয়ে আপনার কোন মন্তব্য থাকলে নিচের কমেন্ট বক্সে আপনার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানান। বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক যে অফিশিয়াল নোটিশ প্রকাশ করা হয়েছে তার ভিত্তিতে আমরা পুরো আর্টিকেলটি লিখেছি সুতরাং আপনি তা নির্দ্বিধায় অনুসরণ করতে পারেন।