রোমাঞ্চকর ২১ গোলের ম্যাচ, লিভারপুলের শিরোপা জয়

আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণ, সুযোগ নষ্টের মহড়া শেষে খেলা গড়াল পেনাল্টিতে। সেখানেও রোমাঞ্চের পসরা সাজিয়ে বসেছিল দুই দল। একটা-দুটো নয় ২১টা পেনাল্টি শট নিতে হলো দুই দলের সমতা ভাঙতে৷ তাতে শেষ হাসিটা হাসল কোচ ক্লপের লিভারপুল। 

 

রোববার রাতে লন্ডনের ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে ইংলিশ লিগ কাপের ফাইনালে টাইব্রেকারে চেলসিকে ১১-১০ ব্যবধানে হারিয়েছে লিভারপুল। তাতে ১০ বছর পর জিতল এই শিরোপা। আর প্রতিযোগিতাটিতে সবচেয়ে বেশি ৯ বার শিরোপা জয়ের রেকর্ড নিজেদের করে নিল লিভারপুল।

 

বলের দখল, প্রতিপক্ষ গোলমুখে আক্রমণ সব দিক থেকেই পিছিয়ে ছিল চেলসি। লিভারপুল ছড়ি ঘুরিয়েছে শুরু থেকেই। তবে গোলমুখে একের পর এক সুযোগ নষ্টের মহড়া সাজিয়ে বসেছিল দলটি। যা-ও জোয়েল মাতিপের কল্যাণে একবার বল জড়িয়েছিল জালে, সেটাও বাতিল হয়েছে ফাউলের দোষে দুষ্ট হয়ে। 

 

নির্ধারিত সময়ে গোল বাতিল অবশ্য চেলসিরও হয়েছে। কাই হ্যাভার্টজের হেডার জালে জড়ানোর পর চেলসি জেনেছে, বিল্ড আপে ছিল এক অফসাইড, তাতে গোল আর পাওয়া হয়নি। তাতে খেলা অবধারিতভাবেই গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। সেই সময়ও একবার রোমেলু লুকাকু, আরেকবার হ্যাভার্টজের গোল বাতিল হয়েছে সেই একই কারণে৷

 

পেনাল্টি শুট আউটে সালাহদের একটা শটও ঠেকাতে পারেননি কেপা। তবে তার সতীর্থরাও মিস করেননি একটি শটও। খেলা গড়ায় সাডেন ডেথে, সেখানেও তিনি শট ঠেকাতে ব্যর্থ, টানা ১১ ব্যর্থতার পর নায়ক হওয়ার সুযোগ এসেছিল চেলসির ৭০০ কোটি টাকা দামের এই গোলরক্ষকের সামনে৷ 

 

তবে তিনি ব্যর্থ হয়েছেন সেখানেও। নিজের শটটা রাখতে পারেননি লক্ষ্যেই। তাতেই শিরোপার উল্লাসে ফেটে পড়ে লিভারপুল, আর চেলসি শিবিরে নেমে আসে হতাশা। ইংলিশ ফুটবলের দুই শীর্ষ সারির দলের মুখোমুখি লড়াইয়ে এর আগে কখনোই টাইব্রেকারে এত বেশি শট নিতে হয়নি।