‘কেউ না জানলেও মাশরাফী ভাই কীভাবে যেন জেনে যান’

বাইশ গজের লড়াকু সৈনিক মোশাররফ হোসেন রুবেল ব্যাট-প্যাড তুলে রেখে লড়ছেন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে। এ যাত্রায় রুবেল পেরে উঠতে পারবেন কী না সেটা সময় বলে দেবে। তার আগে সর্বোচ্চ চেষ্টাটা চালিয়ে যাচ্ছেন রুবেলের পরিবার।

 

হুট করেই যেন সব এলোমেলো হয়ে যায় ২০১৯ সালে। ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত রুবেলকে উন্নত চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয় সিঙ্গাপুরে। ২০১৯ সালের ১৯ মার্চ নিউরো সার্জন এলভিন হংয়ের তত্ত্বাবধানে সফল অস্ত্রোপচার শেষে অনেকটা সুস্থ হয়ে উঠে মাঠে ফেরার প্রস্তুতিও শুরু করে দেন তিনি।

 

তবে জানুয়ারির শুরুতে আবারও অসুস্থ হয়ে পড়লে মাঠে ফেরার আশা ছেড়ে দিতে হয় তাকে। জীবন বাঁচানোর লড়াইয়ে নেমে পড়তে হয় সব ভুলে।

 

চিকিৎসা খরচ দিতে দিতে আর্থিক ভাবে অনেক সমস্যায় পড়েছে মোশাররফ হোসেনের পরিবার। প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) দুইবার আর্থিক সহযোগিতা করে। এছাড়া তার সতীর্থরা সহযোগিতা করে আসছেন এখনও। যার মধ্যে অন্যতম সাবেক অধিনায়ক মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা।

 

সম্প্রতি গত সোমবার আবারও তাকে নিতে হয়েছে আইসিইউতে। সংকটাপন্ন মোশাররফ হোসেনকে নিয়ে তার স্ত্রী চৈতি ফারহানা রুপা বলেছেন, “প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে সহযোগিতা পেয়েছি, বিসিবির কাছ থেকে দুইবার সহযোগীতা পেয়েছি।

 

প্লেয়ারদের কথা বললে, বলব মাশরাফী ভাইয়ের কথা। রুবেলকে নিয়ে ইমার্জেন্সি হাসপাতালে এসেছি, হয়তো কেউ জানে না। এমন কী পরিবারের বাইরেও কেউ জানে না। কিন্তু কোথা থেকে যেন মাশরাফী ভাই খবর পেয়ে যায়। উনি একটা ফোন করেন, উনি যেখানেই থাকুক না কেন, দেশে বা দেশের বাইরে। উনি একটা কথা বলেন যে, ‘ভাবি আপনার এই ভাই কিন্তু আছে’।”