বজ্রপাতের সময় যেসব দোয়া পড়তে হয়

এখন গ্রীষ্মকাল চলছে। সময়-অসময়ে হঠাৎ করেই ঝড়-বৃষ্টি শুরু হয়। এ সময় বজ্রপাতও হয়ে থাকে। কিন্তু ব্যস্ততম জীবনে সব সময় অফিস কিংবা বাসায় থাকা হয় না। অনেক ক্ষেত্রেই বাইরে থাকা অবস্থায় বৃষ্টি হয়। এমন সময় বজ্রপাত হলে পরিবার কিংবা কাছের মানুষদের চিন্তার শেষ থাকে না। তার থেকে বড় কথা নিজের মনও আঁতকে ওঠে।

 

বজ্রপাত শুনে যে দোয়া পড়তে হয়

বজ্রপাতে অনেকের মৃত্যুও হয়। কেউ অসুস্থও হয়ে পড়ে। তবে বজ্রপাতের সময় কোন দোয়া পড়তে হবে তা পবিত্র কোরআন শরীফে উল্লেখ করা আছে। আবদুল্লাহ ইবনে জুবাইর (রা.) থেকে বর্ণিত, বজ্রপাতের সময় কথা বন্ধ রাখতেন তিনি। আর বলতেন— وَيُسَبِّحُ الرَّعْدُ بِحَمْدِهِ وَالْمَلَائِكَةُ مِنْ خِيفَتِهِ

 

বাংলা উচ্চারণ: ওয়া য়ুসাব্বিহুর রা’দু বিহামদিহি, ওয়াল মালাইকাতু মিন খিয়ফাতিহি। (সুরা রাদ, আয়াত: ১৩)

বাংলা অর্থ: বজ্র ও সব ফেরেশতা সন্ত্রস্ত হয়ে তার প্রশংসা পাঠ করে।

তিনি বলেন, বজ্রপাত দুনিয়াবাসীর জন্য চরম হুমকি। (আদাবুল মুফরাদ, হাদিস: ৭২৩; মুয়াত্তা মালেক, হাদিস: ৩৬৪১; আল-আজকার, হাদিস: ২৩৫)

 

এছাড়া বজ্রপাত থেকে রক্ষার দোয়াও রয়েছে। বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এ জন্য একটি বিশেষ দোয়া শিখিয়েছেন। আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) বলেন, হযরত মুহাম্মদ (সা.) বজ্রপাতের আওয়াজ শুনলে এই দোয়া পড়তেন— اللَّهُمَّ لاَ تَقْتُلْنَا بِغَضَبِكَ وَلاَ تُهْلِكْنَا بِعَذَابِكَ وَعَافِنَا قَبْلَ ذَلِكَ

 

বাংলা উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা লা-তাক্বতুলনা বিগাজাবিকা, ওয়া লা-তুহলিকনা বিআজা-বিকা; ওয়া আ-ফিনা-ক্বাবলা জা-লিকা।

বাংলা অর্থ: হে আল্লাহ তা’আলা, আপনি আমাকে আপনার গজব দিয়ে হত্যা করবেন না এবং আপনার আজাব দিয়ে ধ্বংস করবেন না। এসবের আগেই আমাকে আপনি পরিত্রাণ দিন। (তিরমিজি, হাদিস: ৩৪৫০)