শেয়ার বাজারে ৫১ কোটি টাকা লোকসান সাকিবের

সম্প্রতি দুবাই থেকে ফিরেছেন সাকিব আল হাসান। ৬ মার্চ বিজ্ঞাপনী কাজে দুবাই যাওয়ার আগে বাঁহাতি এ অলরাউন্ডার মিডিয়াকে বলেন, এ মুহূর্তে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলার মতো শারীরিক ও মানসিক অবস্থায় নেই তিনি। জোর করে খেললে দেশের ক্রিকেটের সঙ্গে গাদ্দারি করা হবে। ১২ মার্চ মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে মিডিয়ার সামনে হাজির হলেন অন্য এক সাকিব।

বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনের পাশে দাঁড়িয়ে এবার বলেন, দক্ষিণ আফ্রিকায় খেলতে যাচ্ছেন তিনি। সাকিবের খেলতে যাওয়া মানে জাতীয় দলের জন্য ভালো খবর। তিনি পারফরর্ম করলে আরও ভালো। কিন্তু গত সাত দিন যা কিছু হলো তাতে জাতীয় দলের অন্যদের কাছে কী বার্তা গেল? এই বার্তা গেল না তো- সাকিব চলেন সাকিবের নিয়মেই। এ কথা কেউ মুখে না বললেও ক্রিকেটারদের একান্ত আড্ডায় হয়তো বলাবলি হবে।

সাকিবের মন ভালো নেই। শনিবার সংবাদ সম্মেলনেও বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনও বলেন, মানসিকভাবে বিক্ষিপ্ত সাকিব। দেশসেরা ক্রিকেটার কেন মানসিকভাবে ভালো নেই, তার কারণ প্রকাশ্যে আসেনি। বোর্ড সভাপতি সাকিব নিজে থেকে বলে থাকতে পারেন পরিস্থিতি বোঝানোর জন্য।

মিডিয়ার এই সময়ে কোনো কিছু লুকোছাপা রাখা কঠিন। কিন্তু সাকিব সেটা পেরেছেন। আসল কারণ প্রকাশ্যে না আসায় মুখরোচক গল্পের সস্তার বাজারে অনেক কথাই শোনা যাচ্ছে। পারিবারিক ও ব্যবসায়িক ঝামেলার কথা তোলার সঙ্গে ওয়ানডে অধিনায়ক তামিম ইকবালের সঙ্গে দূরত্বের বিষয় টেনে মন খারাপের সঙ্গে যোগসূত্র খোঁজা হচ্ছে। তবে মন খারাপের বাস্তব ভিত্তি যেটুকু রয়েছে, তা আইপিএলে দল না পাওয়ার হতাশা কাটিয়ে ওঠার আগেই বড় ধাক্কা হয়ে এসেছে শেয়ারবাজারে আর্থিক ক্ষতির বিষয়টি। গুঞ্জন আছে, প্রায় ৫১ কোটি (লাভের লস) টাকা ক্ষতি হয়েছে তার।

ঘটনা সত্যি হলে মন খারাপের কারণই বটে। কে না জানে, টাকার শোক বড় শোক। বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলে তো বলতেই শোনা যায়- ‘টাকার শোক পুত্র বিয়োগের শোকের চেয়েও বেশি।’

সূত্র: সমকাল